Blog

টরন্টোতে প্রদর্শিত হচ্ছে মুখ ও মুখোশ, রূপ ও রূপক :: দৈনিক ইত্তেফাক -সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল, কানাডা প্রতিনিধি২৭ আগষ্ট, ২০১৭

832 Views0 Comments
টরন্টোতে প্রদর্শিত হচ্ছে মুখ ও মুখোশ, রূপ ও রূপক
টরন্টোতে প্রদর্শিত হচ্ছে মুখ ও মুখোশ, রূপ ও রূপক
টরন্টোতে ২৭ আগস্ট স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় ফক্স থিয়েটারে প্রদর্শিত হতে যাচ্ছে ‘মুখ ও মুখোশ, রূপ ও রূপক’। টরেন্টো ফিল্ম ফোরাম ও আর্ন্তজাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল আয়োজিত এই ছবির নির্বাহী প্রযোজক টরন্টো প্রবাসী চলচ্চিত্র নির্মাতা আনোয়ার আজাদ।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ ছবিটির কাজ শেষ হয় ১৯৫৬ সালে। ৬০ বছর পর একই শিরোনামে সম্পূর্ণ আলাদা গল্প নিয়ে কাজ করেছেন গোলাম মোস্তফা শিমুল।
প্রতিটি মানুষের ভেতরে থাকে অনেকগুলো সত্ত্বা, অনেকগুলো মুখোশ। আলাদা আলাদা মানুষের সাথে আমাদের সম্পর্কটা হয় আলাদা, পাল্টে যায় আচরণ, দৃষ্টিভঙ্গি। পাল্টে যায় আমাদের মুখোশ। ‘মুখ ও মুখোশ রুপ ও রুপক’ ছবিতে মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্কের টানাপোড়েনে কীভাবে মানুষের মুখোশ পাল্টে যায় সেটি দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছে।
ছবিতে দুই সময়ের দুই গল্প আছে যা শেষে গিয়ে এক হয়। এটিকে প্রেম ও রাজনীতির ছবি বলা যায়। মূলত একজন উত্তর আধুনিক মানুষের জীবনের কিছু সময়কে তুলে ধরা হয়েছে এ ছবিতে। গণ মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন রাজনীতি কখনোই কল্যাণ বয়ে আনতে পারে না। এই উপলব্ধির কারণে গোপন রাজনীতি থেকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসে সুলতানের বাসায় পেইংগেস্ট হিসেবে থাকতে শুরু করে রাজু।
অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের সংসারে রাজুর থাকার কারণে সুলতান তার নিত্য অভাবগুলো থেকে কিছুটা মুক্ত হয়। সুলতানের স্ত্রীরও রাজুর সঙ্গে বেশ বন্ধুসুলভ সম্পর্ক তৈরি হয়ে পড়ে। রাজুর সাথে বীথির বন্ধুত্বটা সুলতানকে সন্দেহপ্রবণ করে তোলে। একটা সময় এই সন্দেহকে সত্য প্রমাণ করে রাজু ও বীথি পালিয়ে যায় নতুন জীবনের খোঁজে। কিন্তু সেখানে তারা সুখগুলো টিকিয়ে রাখতে পারে না।
রঞ্জনা এসে রাজুর মুখোমুখি দাঁড়ায়। রাজু ও বীথির প্রেমের সামনে এসে পড়ে রাজুর অতীত সম্পর্ক, রঞ্জনার গর্ভে রাজুর সন্তান প্রসঙ্গ। বীথি কী করবে এখন? রাজুই বা কী করবে? তার নিজেরও জানা ছিল না তার একটি সন্তান আছে। রঞ্জনাই বা এত বছর পরে কোন প্রয়োজনে রাজুর সামনে এসে দাঁড়ায়।  অনেকগুলো প্রশ্ন জমা হয় উত্তরের আশায়।
‘মুখ ও মুখোশ, রূপ ও রূপক’ এর কাহিনী, চিত্রনাট্য, সংলাপ ও গীত রচনা করেছে পরিচালক নিজেই। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন কাজী রাজু, নাফিসা চৌধুরী নাফা, দীপান্বিতা মার্টিন, কামাল আহমেদ, খায়রুল আলম সবুজ, মঞ্জুরুল আলম পান্না প্রমুখ। শ্যুটিং লোকেশন ছিল ঢাকা, সিলেট ও নোয়াখালী। ছবিতে দু’টি গান আছে। গান দু’টি গেয়েছেন সুবীর নন্দী ও ফাতেমা তুজ্ জোহরা।
ইত্তেফাক/এমআই
Original News Link:

Leave your thought